INDIAN RAILWAYS PROBLEMS

 INDIAN RAILWAYS:- 



১. ভারতীয় রেলের কার্যনির্বাহী বা পরিচালন অনুপাত (Operating ratio) 97.45% ৷ 

২. ভারতের শিল্প ও খনি ক্ষেত্রে মাল পরিবহনের জন্য যত ওয়াগান প্রয়োজন হয়, ভারতীয় রেল সময়মত তত ওয়াগান যোগান দিতে পারে না ৷ ফলে মাল পরিবহনের সময় বেশি লাগে ও খরচ বেশি হয়, মাল অনেক ক্ষেত্রে নষ্ট হয়।

৩. ভারতীয় রেলের কার্যনির্বাহী ব্যয় বেশি বলে মূলধনী বিনিয়োগ (capital investment) করার মত, অর্থাৎ নতুন রেলপথ, ব্রিজ, সিগন্যাল ব্যবস্থা তৈরি করার টাকা কম। 

৪. যাত্রী পরিবহন ক্ষেত্রে সুরক্ষা, পরিছন্নতা ও স্বাচ্ছন্দের অভাব রয়েছে ৷ প্রয়োজনের তুলনায় ট্রেনের সংখ্যা কম ৷ 

৫. মাল ও যাত্রী পরিবহন, দুটি ক্ষেত্রেই ট্রেনের গতি কম ৷ এতে রেল লাইনের ব্যবহার বাড়ে, কিন্তু সার্বিক দক্ষতা হ্রাস পায় ৷ 

৬. ভারতীয় রেলের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের নয় ৷ সময়ানুবর্তিতা(punctuality) এর ক্ষেত্রেও ভারতীয় রেল পিছিয়ে আছে ৷ 

৭. ভারতীয় রেলপথে বর্তমানে তিনটি " গেজ" (Guage) আছে যথা :- 

(a) ব্রডগেজ - দুটি রেলের মধ্যে দূরত্ব 1676মিলিমিটার বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ৷ 

(b)  মিটারগেজ - দুটি রেলের মধ্যে দূরত্ব 1000 মিলিমিটার বা ১ মিটার বা তিন ফুট 27/8 inch. 

(c)  ন্যারোগেজ - দু'রকমের ন্যারোগেজ আছে, যেমন - 762 মিলিমিটার বা দু ফিট ৬ ইঞ্চি এবং ৬১০ মিলিমিটার বা ২  ফুট ৷ 

বস্তুত দেশের ৯২% রেলপথ ব্রডগেজ এবং বাকি চার শতাংশ মিটারগেজ ও ন্যারোগেজ ৷ এক গেজ থেকে অন্য গেজ এর রেলে মাল পরিবহনের ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে খরচ বাড়ে ও মাল নষ্ট হয় ৷ 


PROSPECTS OF THE INDIAN RAILWAYS:- 

ভারতীয় রেল হল দেশের শিল্প ও কৃষির মেরুদন্ড ৷ আগামী দিনে ভারতীয় রেল ব্যবস্থায় দক্ষতা আনার জন্য যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো:- 

১. মাল পরিবহনে গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে Freight corridor স্থাপন করার কাজ শুরু হয়েছে এই রেলপথে শুধুই উচ্চগতিতে মালগাড়ি চলবে, মুম্বাই থেকে উত্তরপ্রদেশের দাদুরী এবং পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে পশ্চিমবঙ্গে ডানকুনি পর্যন্ত freight corridor চালু হতে চলেছে এর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩৬০ কিলোমিটার ৷ 

২. দেশের সর্বত্র ব্রডগেজ রেললাইন চালু করার উদ্দেশ্যে ছোট রেল গেজ গুলিকে পরিবর্তন করা হচ্ছে, এতে মাল ও যাত্রী পরিবহনে গতি বাড়বে৷ 

৩. লাদাখের লে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সব রাজধানী শহরগুলিকে রেলপথের সংযুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে ৷ 

৪. খনিজ তেলের ব্যবহার কমানোর উদ্দেশ্যে সোলার প্যানেল লাগানো ট্রেন ও ২০২৪ সালের মধ্যে গ্রীন হাইড্রোজেন জ্বালানিতে চলে এমন ট্রেন চালু করা হচ্ছে এছাড়া বছরে ২০০০ কিলোমিটার হাড়ে রেলপথের বৈদ্যুতিকরণের কাজ দ্রুত চলছে।

৫. মুম্বাই ও আমেদাবাদের মধ্যে হাই স্পিড রেল করিডোর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, এই দুই শহরের মধ্যে বুলেট ট্রেন চলবে ৷ এই ট্রেন এর গতি হবে ঘন্টায় ৩২০ কিলোমিটার বা ২০০ মাইল প্রতি , তবে 'বন্দে ভারত'  নামে সেমি হাই স্পিড ট্রেন এখনই চলছে( গতিবেগ দেশের বিভিন্ন অংশে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা থেকে 180 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা) | 

৬. রেলের পুরাতন সিগন্যাল ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই কাজের ফলে ট্রেনের গতি বাড়বে, দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমবে ৷ 

৭. শীতকালে উত্তর ভারতের সর্বত্র কুয়াশা এক বিরাট সমস্যা তৈরি করে। এই অসুবিধা থেকে মুক্তির জন্য জিপিএস নির্ধারিত ট্রেন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে ৷ 

Comments

Popular posts from this blog

E-Commerce : international and domestic trade

Difference between Analog and Digital computer

Difference between growth and development (for regional planning **geography**)