E-Commerce : international and domestic trade
ই-কমার্স কথাটির পূর্ণরূপ দিক থেকে বলতে গেলে ইলেকট্রনিক কমার্স সংক্ষেপে ই কমার্স ৷ উদাহরণস্বরূপ ইন্টারনেট, কম্পিউটার স্মার্টফোন ফ্যাক্স টেলিফোন ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যবসা করা বা জিনিসপত্র বেচাকেনা করা যেখানে ক্রেতাকে বিক্রেতার কাছে অথবা বিক্রেতাকে ক্রেতার কাছে স্বশরীরে বা কোন এজেন্টের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে পৌঁছানোর দরকার নেই। এটাই হল ই-কমার্স। বাংলায় ই ব্যবসা বলা হয় ৷
Understanding E-commerce:-
Electronic revolution শুরু হবার পর থেকে ধীরে ধীরে ক্রমাগত ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার সাধারণত দেশগুলিতে ই-কমার্স বাণিজ্যের ধরন বদলে যেতে থাকে ৷
Importance of e-commerce: ১. এই ব্যবস্থার সাহায্যে যেকোনো সময়ে পৃথিবীর যে কোন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা বিক্রেতা বিনিয়োগকারী বিজ্ঞাপন দাদাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় অল্প খরচায় ফলে ই-কমার্স সারা পৃথিবী জুড়ে ব্যবসা করার সক্ষম হয়ে ওঠে ৷
২. ই-কমার্সে সাধারণত ক্ষেত্রে কাগজপত্র অথবা খাতায়-কলমে হিসেব পত্র লিখে রাখার দরকার হয় না তাই ই-কমার্স কে কাগজ হীন ব্যবসা বা পেপারলেস ট্রানজেকশন বলা হয়। ফলে অফিসের কাজ অনেক পরিচ্ছন্ন হয়।
৩. ই-কমার্স হল ব্যবসার উদ্দেশ্যে দিক থেকে বলতে গেলে যোগাযোগের নির্ভরযোগ্য সস্তা দক্ষ এবং অতি দ্রুত মাধ্যমিক হিসেবে পরিচিত দুটি বা তার বেশি ইলেকট্রনিক যন্ত্র। যেমন বলা যেতেই পারে স্মার্টফোন ল্যাপটপ ট্যাব এবং কম্পিউটার এর মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করে। অর্থাৎ ইলেকট্রনিক ডাটা ইনটারচেঞ্জ সংক্ষেপে (EDI) করে ই বাণিজ্য করা যায় ৷
Areas of e-commerce:
1. Apparel and accessories for men and women.
2. Books and magazines.
3. Household appliances.
4. Computer and peripherals.
5. Ornaments and jewellery.
6. Software.
7. Vehicles.
8. Health and beauty products.
9. Buying and dealing of stocks and shares.
10. Real estate and services.
11. Gift items.
12. Travel tickets.
13. Employment.
14. Matrimonials.
15. Net banking.
16. Food items and old good etc.
Advantages of E- commerce:-
১. পৃথিবীর মধ্যে যে কোন দূরত্বে অথবা যে কোন সময়ে এবং যেকোনো ভাষাভাষী মানুষের কাছে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবসার কাজে পৌঁছে যাওয়া যায় এটি একটি উন্নত মানের সুবিধা ৷ ২. বৈদুতির মাধ্যমে যোগাযোগের খরচ অল্প হয় ৷ ৩. শ্রমিক সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা অর্থাৎ যেমন শ্রমিকের দৈহিক নিরাপত্তা যাতায়াতের বন্দোবস্ত করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে খরচ কম হয়৷ ৪. ই বাণিজ্য ব্যবসায় ক্রেতাকে বিক্রেতার দোকানে এবং শো-রুমে বা অফিসে সশরীরে আসার দরকার নাই ফলে ক্রেতা ঘরে বসে নিজের সুবিধামতো অনেক সময় অনেকটা সময় নিয়ে অনেক ধরনের জিনিসের মধ্যে তার বিশেষ করে নির্দিষ্ট একটা পছন্দের জিনিস বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়। ৫. জিনিসের দাম প্রতিদ্বন্দ্বি কোম্পানির ওই একই ধরনের জিনিসের ধারে কাছে থাকে ইটস কল কম্পিটিটিভ প্রাইস ৷ ৬. বেচাকেনার হিসাব টাকা পয়সা লেনদেন তৎ সংক্রান্ত কাগজপত্র নিমেষে তৈরি হয়ে যায়। এতে সময় পরিশ্রম ও খরচ উভয়ই বাঁচে ৷
Disadvantages of e-commerce:-
১. ই-কমার্স এর মাধ্যমে কেনা বেচা করতে হলে বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা শিখতে হবে এবং নিজের অথবা পরিবারের কাছে সেই যন্ত্র থাকতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশে সবার কাছে এখনো পর্যন্ত এই সুযোগ পৌঁছায়নি ৷ ২. বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ই-কমার্সের সুযোগ নিতে হলে ইংরেজি ভাষা জানা দরকার ইংরেজি সম্বন্ধে জ্ঞান থাকা দরকার ইংরেজি চর্চা করা দরকার। উন্নয়নশীল বহু দেশেই নিরক্ষরতার সমস্যা এখনো রয়ে গেছে ফলে ই-কমার্সের সুবিধা সব মানুষের কাছে এখনো পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি ৷ ৩. ই-কমার্স এর সুযোগ নিতে হলে নেট ব্যাঙ্কিং এর সুবিধা থাকলে খুব ভালো হয়। ৪. ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জাল জোচ্চুরির সুযোগ আছে অর্থাৎ *******SCAM********
Status and opportunitys of e-commerce in India. 🇳🇪🇳🇪🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳
বর্তমানে 2022 সালে ভারতীয় প্রায় 69.2 crore মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৷ ২০২২ সালের হিসাব অনুসারে ভারতের জনসংখ্যা হল প্রায় 141.7 crore কিন্তু এখন ২০২৩ সালে ভারত বিশ্বের সর্ব বৃহত্তম একটি দেশ হিসেবে পরিচিত জনসংখ্যার দিক থেকে আমাদের ভারতবর্ষ এখন top list number 1 আমাদের ভারতবর্ষ এখন চীনকেও টপকে গেছে ৷ অর্থাৎ ভারতের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের কাছে ইন্টারনেটের সুবিধা পৌঁছেছে ৷ পশ্চিমের উন্নত দেশ গুলি তুলনায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মানুষের এই অনুপাত কম ৷ দেশে ই-কমার্সে অংশগ্রহণকারী উপভোক্তার সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি৷ ভারতে জনপ্রিয় ই কমার্স কোম্পানিগুলি হল :- Amazon, swiggy, Zomato, Flipkart, uber, Quikr, ola, Cabs, Paytm etc.
E-Commerce grow up to India because:-
১. দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে দেশের মধ্যে এখনো পর্যন্ত অনেকগুলি শহরের মধ্যে 5g পরিষেবা চালু হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ অনেকটা পরিমাণে উপকৃত হতে পারে।
২. স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত গতিতে ক্রমশ বেড়েই চলেছে ৷
৩. মানুষের জীবন যাত্রার মান ও ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছে মানুষের জীবন আস্তে আস্তে লাক্সারি হয়ে উঠছে, ইনক্রেডিবল হয়ে উঠছে। আনস্টপেবল হয়ে উঠছে।
৪. বিদেশি পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে সহজে কেনার সুবিধা রয়েছে আমাদের দেশে 🇮🇳🇳🇪🔥🔥🇮🇳🇳🇪🇮🇳🇳🇪😍😍💪💪
৫. অফিস পরিচালনা এবং দোকান ভাড়া এছাড়াও সাজসজ্জা ইত্যাদি বাবদ establishment cost প্রায় নেই ৷ ফলে ই-কমার্স এর মাধ্যমে কেনা জিনিসের কম দামের ফলে ভারতীয় উপভোক্তরা ক্রমশ উপকৃত হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে।
৬. দেশে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সেকেন্ড হ্যান্ড (second hand) জিনিসের বিশেষত(মোটর গাড়ি এবং ক্যামেরা তা ছাড়া ও আসবাবপত্র ব্যায়ামের জন্য এবং জিম এর জন্য যন্ত্রপাতি ইত্যাদির) বাজার বেড়েই চলেছে ৷
৭. দেশে ই-কমার্সের মাধ্যমে এখন শাকসবজি চাল ডাল প্রভৃতি গ্রসারী (Grocery) দ্রব্য কেনার ঝোঁক বেড়েছে ৷ ফলে amazon.com, bazaarcart, BigBasket, Flipkart,Licia, one day cart.com etc.. প্রভৃতি সংস্থা এই ব্যবসায় আরো আগ্রহী হয়েছে বর্তমান দিনে ৷








Comments
Post a Comment