Trade (বাণিজ্য)
সাধারণত ভাবে পণ্যদ্রব্য এবং পরিসেবামূলক ক্রয়- বিক্রয় এবং আদান প্রদান কে ট্রেডি বা বাণিজ্য বলা হয়।
বাণিজ্য প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে, একটি হলো অভ্যন্তরীণ এবং আরেকটি হলো বৈদেশিক বাণিজ্য |
#Internal or domestic trade:- কোন একটি দেশের নানা অঞ্চলের মধ্যে পর্ন দ্রব্য এবং সেবা কর্মের আদান প্রদান কে basically অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলা হয়।যেমন মহারাষ্ট্রের তুলো যখন পশ্চিমবঙ্গের কাপড়ের কল গুলির জন্য কেনা হয় কিংবা পশ্চিমবঙ্গের চা ভারতের অন্যত্র বিক্রি হয় তখন তা হলো অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য |
#external or international trade:- যখন এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের পণ্যদ্রব্য ও পরিসেবার ক্রয় -বিক্রয় হয় তখন তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলা হয় ৷ যেমন একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যাক, কলকাতা বন্দর দিয়ে চা, পাট, আকরিক লোহা প্রভৃতি দ্রব্য যখন পৃথিবীর অন্যান্য দেশে পাঠানো হয় তখন তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে ৷
মানব সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে মানুষের এই চাহিদা বা উন্নতমানের জীবন যাপনের আকাঙ্ক্ষা যতই বাড়ে ততই বাণিজ্যের পরিমাণও বৃদ্ধি পায় ফলে অর্থনৈতিক বিকাশের পথ সুগম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৷
সভ্যতা= চাহিদা= আন্তর্জাতিক বাণিজ্য= অর্থনৈতিক বিকাশ
Reasons to consider trade as an index of economic growth:
বাণিজ্যকে কোন অঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশের একটি সূচক রূপে ধরা হয় কারণ,
বাণিজ্য উৎপাদনে ঘাটতি মেটানোর জন্য যেটা বোঝানো হয়, বাণিজ্যের মাধ্যমে নিজের দেশে যে প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যায় এবং পণ্য উৎপাদন করা হয় তার চেয়ে বেশি প্রাকৃতিক সম্পদ এবং উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা থাকলে সেই ঘাটতি বাণিজ্যের সাহায্যে মেটানো যায় ৷
বাণিজ্যের মাধ্যমে নতুন জীবিকার সৃষ্টি হয় এবং লোকজন সেই জীবিকায় অংশগ্রহণ করে ফলে বেকারত্ব কমতে পারে এবং শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি হতে পারে ৷ বাণিজ্যের মাধ্যমে কৃষি শিল্প পরিবহন ও পরিষেবার উন্নতি হয় ৷ বাণিজ্যের সাহায্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায় ৷ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো উন্নত হয় সে জন্য বাণিজ্যকে অর্থনৈতিক বিকাশের সূচক রূপে ধরা হয় ৷
Comments
Post a Comment